Showing posts with label জেলার খবর. Show all posts
Showing posts with label জেলার খবর. Show all posts

10 July 2015

নরেন্দ্ৰ মোদীর ডিজিটাল ইন্ডিয়ার সম্মুখে ডিজিটাল রেশন কার্ডে ভুল ,জেলা জুড়ে ডিলারদের হুমকি

নিজস্ব সংবাদতাঃ প্ৰধান মন্ত্ৰীর নরেন্দ্ৰ মোদী ডিজিটাল ইন্ডিয়া গড়া উপলক্ষে যে সময় বার্তা দিলেন ঠিক সেই সময় কোচবিহার জেলার ডিজিটাল রেশন কার্ডে দেখা যাচ্ছে অপর্যাপ্ত ভুল ।ফলে বিপাকে পড়েছেন সমস্ত গ্ৰাহকেরা ।ডিলারদের কাছে মাল থাকলেও তা এই ভুলের কারনে নষ্ট হতে বসেছে ।দেখা যাচ্ছে বেশীর ভাগ রেশন কার্ডে নামের ভুল ,কারো আবার পিতার জায়গায় বসানো হয়েছে স্বামীর নাম ।ফলে সকলে ক্ষুদ্ধ হয়েছেন বিভ্ৰান্তকর এই সব ভুলের জন্য ।ডিজিটাল রেশন কার্ডের জন্য ডিলারদের কাছে মাল থাকলেও তারা গ্ৰাহক কে বিলি করতে পারছে না ।বস্তা বস্তা চাল আঠা গম তাই পড়ে রয়েছে সকল ডিলারদের ঘড়ে ।ফলে আসঙ্খা দেখা দিচ্ছে পড়ে থাকা মাল নিয়ে । কারো আবার দেখা দিয়েছে ডিলারের নাম ভুল ।ফলে বাধ্য হয়ে দুর থেকে ডিলারদের কাছ মাল সংগ্ৰহ করতে হচ্ছে ।শুধু তাই নয় ,সম্পূর্ন মাল নিতে হচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন ডিলারের কাছ থেকে ।বিভ্ৰান্তকর এই ভুল অবিলম্বে সংশোধনের জন্য জেলা খাদ্য দপ্তরকে জানিছে অনেকে ।খাদ্য দপ্তর থেকে অবশ্য ইতিবাচক সাড়া এখন মেলেনি ।

Read More

30 June 2015

ভূমিকম্পে কাঁপল উত্তর বঙ্গ সহ ভুটান

নিজস্ব সংবাদ দাতাঃ ফের কম্পন অনুভুত হল উওর বঙ্গ সহ ভুটানে ।সোম বার সকাল ০৬ টা ৩৬ মিনিটে ঘটে যায় এই ভূমি কম্পন ।গোটা উত্তর বঙ্গ সহ বাংলাদেশ ,ভুটান, কোলকাতা ,সিকিম প্ৰভৃতি এলাকায় এই কম্পন অনুভুত হয় ।রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্ৰা ছিল ৫.৬ ।ভূমি কম্পনের কেন্দ্ৰ স্থল অসমের কোকড়ারঝার এলাকায় ।ব্যপকতর ভাবে এই ভুমি কম্পন অনুভুত হয়েছিল উত্তর বঙ্গের সব জেলা গুলিতে ।এখন অবনি কোন হতাহত সংবাদ পাওয়া যায়নি । উত্তর বঙ্গের বঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলা ভূমিকম্পনের লাল সর্তক বিভাগে রয়েছে যা বিজ্ঞানিরা আগেই জানিয়েছে ।ফলে এই ভূমি কম্পন চিন্তার বিষয় হয়ে দাড়াল উত্তর বঙ্গের জন্য ।তবে কি অপেক্ষা করছে আরো বড় কোন আশঙ্খা ? বিজ্ঞানিদের ভাষায় একথা ফেলে দেওয়ার মত নয় ।অনেক ক্ষেত্ৰে দেখা যায় ভূমি কম্পন এলাকা গুলিতে একের পর এক ভূমি কম্পন হতে থাকে ।যেমন টা হয়েছিল ভুটানে ।প্ৰায় ১০ হাজার মানুষ প্ৰাণ হারিয়েছিল সেখানে ।

ভূমিকম্পে কাঁপল উত্তর বঙ্গ সহ ভুটান

Read More

23 June 2015

বর্ষা ভেজা কোচবিহার সহ গোটা উত্তর বঙ্গ

নিজস্ব সংবাদতাঃ দক্ষিন বঙ্গের পর উত্তর বঙ্গেও চালু হল বর্ষা ।আবহাওয়া দপ্তর মত গত সপ্তাহে দক্ষিন বঙ্গে বর্ষা শুরু হলে উত্তর বঙ্গে বর্ষা আসতে সময় লাগল প্ৰায় এক সপ্তাহ ।ফলে চেহারা বদলে গেল উওর বঙ্গের ।গতকাল রাত্ৰি থেকে উত্তর বঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি শুরু হয়েছিল ।রাত ভর বৃষ্টি কাটিয়ে মঙ্গল বার সকাল থেকে চলছে বৃষ্টি ।বৃষ্টি মুখর তাই কোচ রাজ শহর । অন্য দিকে দেশে বর্ষা জুনের প্ৰথম সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছিল ।টানা বর্ষায় সমুদ্ৰ সন্নিধ্য শহর গুলিতে দেখা যাচ্ছে বিরুপ প্ৰতিক্ৰিয়া ।গত সপ্তাহ থেকে মুম্বাইয়ের বিভিন্ন এলাকা বর্ষা গ্ৰাসে ।সমুদ্ৰের জল প্ৰবেশ করেছে শহরে ।ফলে কোথাও বর্ষার জল এক হাঁটু থেকে বুক পযর্ন্ত ।রাজধানি শহর দিল্লিতেও চলছে বর্ষা ।

Read More

15 June 2015

হারিয়ে যাচ্ছে কোচবিহারের নিজস্ব সংস্কৃতি

কোচবিহার :- আধুনিক এই বিঞ্জান চেতনার যুগে কোচবিহার হারতে
বসেছে তার নিজস্ব সম্পদ তথা সংস্কৃতি ।হারিয়ে যাচ্ছে কোচ ভাষা সংস্কৃতি
।কোচবিহারের যে নিজস্ব একটা ভাষা ,সাহিত্য বা সংস্কৃতি রয়েছে তা এখন
খুঁজে পাওয়া যায়না ।ফলে বিশ্বায়নের সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে মৌষাল
বন্ধুর গান ।এক সময় কোচবিহারের মহারাজার আমলে কোচবিহার যে কতটা
সংস্কৃতিময় ছিল তা আজও পাওয়া যায় ইতিহাস খুঁজলেই ।যা এই প্ৰজন্মের কাছে
অনেকটাই  অজ্ঞাত ,পরিচয়হীন ।ভাওয়াইয়া গান যে কোচবিহারের প্ৰানের সুর তা
অতি কাল থেকে চলে এসেছে ।যা এখন এতটাই দুঃপ্ৰাপ্প যে সচরাচর তা দেখতেই
পাওয়া  যায় না ।অধুনিক সংস্কৃতিতে এখন স্থান করে নিয়েছে আধুনিক বাংলা ও
হিন্দি গান ।মহিষের গাড়িতে মৌষাল বন্ধুর সেই ভাওয়াইয়া গান এখন শুধু টেপ
ক্যাসেটেই বন্দি ।শোনা যায়না আর সেই গান -"মৌষাল বন্ধুরে আর কত কাল থাকিম
মুই তোক ছাড়া ,মোর যৌবন যে ফুরিয়া গেইল রে ।"

একসময় যখন যান্ত্ৰিক সচল আসেনি তখন মহিষ আর গরুর গাড়িতে বাহন করা হত মাল
একস্থান থেকে অন্য স্থানে ।শীত আসলেই তখন শোনা যেত  রাজবংশি ভাষার নিজস্ব
যাত্ৰা আসর ।গ্ৰাম গুলি থাক একটা সরল বন্ধনে ।বিঞ্জানের এই সময়ে এসে
হারিয়ে গেছে রাজবংশিদের কিছু নিজস্ব দেবতা ।এখন শুধু আছে রাজবংশিরা ,নেই
তাদের সংস্কৃতি ,নেই তাদের ভাষা ।
কোচবিহার রাজবাড়ি 

Read More

প্ৰচন্ড শিলা বৃষ্টিতে ব্যপক ক্ষতি দিনহাটায়

দিনহাটাঃ মঙ্গলবার শিলা বৃষ্টিতে ব্যপক ক্ষতির শিকার হল
দিনাহাটা ।মঙ্গলবার সন্ধায় নামে এই কালবৈশাখী ।প্ৰথমে হাওয়া ও পরে শিলার
বর্ষণ ।ফলে ক্ষতি গ্ৰস্থ হয় দিনহাটা মহকুমারের বাসন্তির হাটা ,বুড়ির হাট
,খট্টিমারি সহ বেশ  কয়েকটি এলাকায় ।শিলা বরফের ওজন গড়ে ছিল ২০০ গ্ৰামের
মত ।ক্ষতির পরিমান এত বেশী যে চিন্তিত সবাই ।ঘড় বাড়ী উড়ে গেছে অনেকের
।বিদ্যুত্‍ ছিন্ন হয়েছে বুড়ির হাটের ২টি  এলাকায় ।বাঁশ বাগানও হাওয়ায় পড়ে
গেছে অনেক জায়গায় । সব চেয়ে বেশী ক্ষতির স্বীকার হয়েছে কৃষকেরা ।পাঁকা
বোর ধান পড়ে গেছে এই শিলা বৃষ্টিতে ।ফলে চিন্তিত বোর চাষিরা ।এখন কি হবে
?বছরের খাবার জুটবে কি ভাবে ?


 পাট ও ভুট্টা চাষও রক্ষা পায়নি ।শিলার আঘাতে ভেঙে গুড়িয়ে গেছে সব ক্ষেত
।অনেকের চালের টিন ছিদ্ৰ হয়েছে শিলার   আঘাতে ।বুড়ির হাট বাসিন্দা বিপুল
বর্মন বলেন ,সন্ধা সাড়ে ৬ টা নাগাদ প্ৰথমে হাওয়া শুরু হয় ।কালো মেঘে ধিরে
ধিরে অন্ধকার হওয়ার পর আসে শিলা বৃষ্টি ।এদিকে পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে
ক্ষতিগ্ৰস্থদের আশ্বাস দেয় ।তারা যাতে এই ক্ষতির ক্ষতিপুরন পায় সেই বিষয়ে
বিডিওর কাছে আবেদনের কথা বলে ।
প্ৰচন্ড শিলা বৃষ্টিতে ব্যপক ক্ষতি দিনহাটায়
প্ৰচন্ড শিলা বৃষ্টিতে ব্যপক ক্ষতি দিনহাটায়
Date: 2014-05-14
Read More

চলছে রাস্তার জোড়াতালি কাজ

দিনহাটাঃ  লোকসভা ভোট চলছে আর সেই ইশুতে চলছে রাস্তার
জোড়াতালি কাজ ।দিনহাটা থেকে সাহেবগঞ্জন গামী রাস্তায় কাজ চলছে তবে
অল্পসল্প ।ছোট ছোট খাল গর্ত গুলি চলছে মেরামত ।ফলে অসন্তুষ্ট রাস্তার
যাতায়তকারী সবাই ।তাদের দাবি যে ভাবে এই কাজ চলছে তাতে এই পিচ বেশী দিন
টিকবেনা ।ফলে যা হবার তা আবার ঘটবে । দীর্ঘ ২৫ থেকে ৩০ কিমি রাস্তার শেষ
দিকে আবস্থা খুবই খারাপ ।সেখানে যদি এই ভাবে কাজ চলে তবে তার লাভ কিছুই
হবে না ।তাই অনেকে এই মেরামতের বিরুদ্ধে প্ৰতিবাদ জানিয়েছে ।
চলছে রাস্তার জোড়াতালি কাজ
চলছে রাস্তার জোড়াতালি কাজ
Date: 2014-05-10
Read More

12 June 2015

লাভের আশায় কোচবিহারের কৃষকেরা

দিনহাটাঃ এদিকে আবোহাওয়ার খারাপ লক্ষ্য ,অপর দিকে কৃষি
কাজের প্ৰয়োজনীয় দ্ৰবাদীর চড়া দাম । এমনটা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে কৃষকদের
করতে হয় কৃষি কাজ ।আর যদি তাতে দেখা দেয় বাজার মন্দা বা আবোহাওয়ার বিপরীত
তবে কৃষি হয়ে দাড়ায় কৃষকদের শত্ৰু ।


ঠিক এমনটা দেখা যাচ্ছে কোচবিহারের কৃষক মহলে ।ঝিঙা ,করলার বাজার এত নিম্ন
মানে যে তাতে খরচের পয়সা উঠছে না কৃষকদের ।করলার চাহিদা থাকলেও এবছর
বৃষ্টির অভাবে ফলনে ব্যঘাত ঘটেছে ।আবোহাওয়ার খরতার ফলে এবছর কৃষকদের
দূর্দশা চরমে পৌছে গেছে ।  প্ৰয়োজনীয় রসের অভাবে গাছ মরে গেছে অনেক
কৃষকের ।  অপর দিকে বাজারে  চাহিদা হারাচ্ছে ঝিঙ্গা ।দীর্ঘ সময় বাজারে
দাড়িয়ে থেকেও বিক্ৰি হচ্ছেনা ।অবশেষে বেশ কম দামে বিক্ৰি করতে হচ্ছে
ঝিঙ্গা ।কিন্তু কৃষিতে ব্যবহৃত সারের দাম ও প্ৰয়োজনীয় দ্ৰবাদীর দাম দিন
দিন যে ভাবে বাড়ছে তাতে চিন্তিত কৃষকেরা ।কঠর পরিশ্ৰম করে তার ফল এই রকম
যে ভবিষত্‍ নিয়ে চিন্তিত   কৃষকেরা ।

লাভের আশায় কোচবিহারের কৃষকেরা
লাভের আশায় কোচবিহারের কৃষকেরা
 Date: 2014-05-03
Read More